আজ মঙ্গলবার | ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |৪ঠা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | বিকাল ৫:৪১

শিরোনাম :

ব্রাসেলসে বাণিজ্য, এফটিএ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আলোচনা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ আমরা এক এক করে বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ বর্তমান সরকার এবার দেশে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রথমবারের মতো বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুদ্ধকালীন অবস্থায় তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ দ্বিতীয় দফায় আরো ১৭১ জন ক্রীড়াবিদের হাতে পেশাগত স্বীকৃতির স্মারক হিসেবে ‘ক্রীড়া কার্ড’ তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক বিএনপি সরকারের দুই মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরলেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সেবা করতেই সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এসেছেন:সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান রুমন দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

‘চীনের নেতাকে হোয়াইট হাউসে ডেকে তিরস্কার করতে পারবে না আমেরিকা’

প্রকাশ: ২ মার্চ, ২০২৫ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ

আকার প্যাটেল : তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগ তুলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট আক্ষরিক অর্থেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে তিরস্কার করার কয়েক ঘন্টা পর কী লেখা উচিত? ২০২৪ সালের নভেম্বরে অর্থাৎ মাত্র তিন মাস আগে রিপোর্ট করা হয়েছিল যে বাইডেন প্রশাসন রাশিয়ায় আক্রমণ করার জন্য ইউক্রেনকে আমেরিকার তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করার ‘অনুমতি’ দিয়েছে।এর পরে রয়টার্স ‘রাশিয়ান আইন প্রণেতার দাবি ক্ষেপণাস্ত্রের সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন বাইডেন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে (শিরোনামটি পরে সংশোধিত করা হয়েছিল)। তার আগের মাস ২০২৪ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম ব্যাংকার জেপি মরগানের উদ্ধৃত একটি শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল, যেখানে লেখা ছিল ‘পশ্চিমা শক্তি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হতে পারে’।

তিনি কেবল ইউক্রেনের যুদ্ধই নয়, গাজায় গণহত্যা এবং চীনের উত্থানকেও বৃহত্তর কিছু পরিবর্তনের জন্য অনুঘটক হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। তাই ২৮শে ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার হোয়াইট হাউসের বিখ্যাত ওভাল অফিসে যে সার্কাসটি দেখা গেল, সেটিই একমাত্র ঘটনা ছিল না যখন আমরা মানবজাতির সম্ভাব্য ধ্বংসের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।

এই সব থেকে কী বোঝা যায়? প্রথমেই আসা যাক ডনাল্ড ট্রাম্প কী চান? আপাতদৃষ্টিতে এটা বলা কঠিন। কারণ তিনি সহজে অনেক কিছু নিয়ে কথা বলে দেন। ট্রাম্পের সমালোচকরা বলেন যে, তিনি আদপে বোকা এবং হিংস্র- কিন্তু দুবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী একজন ব্যক্তির সাথে এই পরিচয়ের মিল খুঁজে পাওয়া কঠিন। তাই ধরে নেওয়া যেতে পারে যে ট্রাম্প জানেন তিনি কী করছেন। এককথায় বলে যেতে পারে, আমেরিকান প্রেসিডেন্টের আসল লক্ষ্য চীন।

তিনি চীনের উত্থানকে বাধাগ্রস্ত করতে চান যাতে এটি ক্ষমতায় যুক্তরাষ্ট্রের সমান না হয়। তিনি চান ডলারই একমাত্র রিজার্ভ বৈশ্বিক মুদ্রা থাকুক এবং চীন যেন উৎপাদন ও রপ্তানির কিছু অংশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফিরিয়ে আনে। আর তাই তার সমস্ত বৃহত্তর কর্মকাণ্ডকে চীন-বিরোধী দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত।

পূর্ববর্তী প্রবৃদ্ধির হার বজায় থাকলে আগামী কয়েক দশকে চীন মার্কিন অর্থনীতির সমান হবে এবং তারপরে তাকে ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ট্রাম্প তা হতে দিতে চান না। প্রথম মেয়াদে চীনের ওপর ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ যা বাইডেনের অধীনে যুক্ত করা হয়েছিল, যেমন উচ্চমানের কম্পিউটার চিপের উপর নিষেধাজ্ঞা (চীন যাতে প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রগতি না করে) এই পরিকল্পনার সবচেয়ে বড় অংশ। এই মেয়াদে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আসা সমস্ত চীনা পণ্যের উপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করেছেন এবং তারপরে আরও ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন যা ২রা মার্চের সপ্তাহ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্প বলেছেন যে, এর পরিমাণ ৬০ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে। এর ফলে চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রেও উচ্চ স্তরের অনিশ্চয়তা এবং অস্থিরতা তৈরি হবে কারণ অনেক শিল্প একে অপরের সাথে জড়িত। অনেকেই সরাসরি ট্রাম্পের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, এটি আমেরিকান ভোক্তাদের উপর ততটাই প্রভাব ফেলবে যতটা চীনা কোম্পানিগুলোতে পড়বে, কিন্তু ট্রাম্প বারবার এই উদ্বেগকে উপেক্ষা করেছেন। ডলার ছাড়া অন্য মুদ্রা ব্যবহারের বিরুদ্ধে ব্রিকসকে তার খোলামেলা হুমকি চীনকে নিয়ন্ত্রণে রাখার পরিকল্পনার আরেকটি অংশ। এই যুক্তি অনুসারে ইউক্রেন এবং পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা বিভ্রান্তিকর। সেখানকার যুদ্ধগুলো দ্রুত শেষ করতে হবে যাতে চীনের মূল ব্যবসার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করা যায়।

চীন আমেরিকার একমাত্র সমকক্ষ প্রতিযোগী- রাশিয়া নয়, অন্য কেউ নয়। অতএব, সামগ্রিক লক্ষ্য থেকে সরে যাওয়ার কোনও অর্থ হয় না। গাজায় দুই বছরের একটানা ও হত্যাকাণ্ডমূলক বোমাবর্ষণের অবসান ঘটে জানুয়ারিতে ইসরাইলের উপর ট্রাম্পের চাপিয়ে দেওয়া শান্তি চুক্তির মাধ্যমে এবং এখন মনে হচ্ছে মার্কিন সমর্থন উঠে যাওয়ায় ইউক্রেনকে রাশিয়ার কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

একবার তা ঘটলে অর্থাৎ, রাশিয়া ইউক্রেন দখলে নিলে চীনের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টি আরও তীব্র হবে। কিন্তু যদি তাই হয়, তাহলে ট্রাম্প কেন আমেরিকার বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং মিত্রদের পিছনে ছুটছেন, এমনকি মেক্সিকো এবং কানাডার পিছনেও? আমি মনে করি, এই সবই আমেরিকাকে চীনের চেয়ে এগিয়ে রাখার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ।

ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক বিশ্ব বাজারে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অনিশ্চয়তার সৃষ্টি করেছে এবং এটি সর্বদা ডলারকে শক্তিশালী করার দিকে পরিচালিত করে, যেমনটি আমরা প্রত্যক্ষ করছি। ডলারের দাম বৃদ্ধির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব পণ্য রপ্তানি করা আরও কঠিন হয়ে পড়ে এবং তাই ট্রাম্প বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে চান। হয়তো ট্রাম্প এই বিষয়টি নিয়ে ভেবেছেন, হয়তো ভাবেননি। আমরা আগামী দিনে দেখব, কারণ চার বছর অনেক দীর্ঘ সময়। চীন কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাবে সেটাই বড় প্রশ্ন। চীনের বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে যারা মাত্র ৪০ বছরের মধ্যে ইতিহাসের যেকোনো জাতির চেয়ে দ্রুত দেশের অর্থনীতি এবং শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে গেছে।

চীন তার অবস্থান ধরে রাখার চেষ্টা করবে। প্রথমে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমান হওয়ার চেষ্টা করবে এবং তারপরে তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়াস জারি রাখবে। চীনের উচ্চাকাঙ্ক্ষা আমেরিকা নির্ধারণ করতে পারে না। চীনের নেতাকে হোয়াইট হাউসের রাজার দরবারে ডেকে তিরস্কার করা যাবে না এবং মার্কিন মিত্রদের মতো হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করা যাবে না।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাম্প্রতিক উন্নয়ন এবং ২০২৪ সালে বিশ্বের অন্যান্য দেশে চীনা রপ্তানির বৃদ্ধি দেখায় শুল্কের ভয় দেখিয়ে চীনকে থামানো যাবে না। মূলত, যদি ট্রাম্পের প্রাথমিক লক্ষ্য হয় আমেরিকার বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বজায় রাখা, তাহলে ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি নতুন প্রশ্ন তুলে দেবে এরপর কী হবে?তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নাকি অন্য কিছু-কেউই এর উত্তর জানে না।

সূত্র: ন্যাশনাল হেরাল্ড

 

Please follow and like us:
error5
fb-share-icon
Tweet 120

আর্ন্তজাতিক

আরও পড়ুন

গত ৭ দিনের সর্বাধিক পঠিত সংবাদ

  • আর্কাইভ

    মতলবে বাপাউবোর প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার পূর্বেই অনিয়মের অভিযোগ!

    ব্রাসেলসে বাণিজ্য, এফটিএ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আলোচনা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ আমরা এক এক করে বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ

    কামরুল হাসান তালুকদার বিমানবন্দর থানায় নতুন অফিসার ইনচার্জ

    বর্তমান সরকার এবার দেশে ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই জনগণের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বদ্ধপরিকর

    নড়াইলে পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে কৃষাণীর মৃত্যু

    অনিয়ম ঠেকাতে ব্যতিক্রম উদ্যোগ নিয়েছে সাভার সাব-রেজিস্ট্রার ..জাকির হোসেন

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

    প্রথমবারের মতো বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে নিজ জেলা বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    যুদ্ধকালীন অবস্থায় তেলের দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ

    গুলশানে ১২ বছর বয়সী এক স্কুলপড়ুয়া কিশোরকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

    দ্বিতীয় দফায় আরো ১৭১ জন ক্রীড়াবিদের হাতে পেশাগত স্বীকৃতির স্মারক হিসেবে ‘ক্রীড়া কার্ড’ তুলে দেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ আমিনুল হক

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর জনগণ আস্থা রেখেছে : প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আব্দুল্লাহ এম ছালেহ

    বিএনপি সরকারের দুই মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরলেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন

    মিরপুরে ১০৭ বছরের পুরোনো গাবতলী মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

    রাজধানীর খেলার মাঠ উন্নয়নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিদর্শন টিম

    ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সেবা করতেই সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এসেছেন:সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান রুমন

    দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

    তরুণদের মধ্যে নেতৃত্বের বিকাশ ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে জেসিআই বাংলাদেশের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে গুম ও হত্যার পূর্বে দুজন ছাত্র নেতা কে গুম করা হয়Lচিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

    টঙ্গীতে থামছেই না নিষিদ্ধ ওলামা লীগের কর্মকান্ড

    পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমি সমস্যা সমাধান ও উন্নয়নই সরকারের অগ্রাধিকার: প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

    চাঁদপুরে পাউবোর প্রকল্পে নামে মিথ্যে সিন্ডিকেটের প্রপাগান্ডা ছড়াছে একটি সিন্ডিকেট “

    মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

    নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে প্রত্যেক শ্রেণি-পেশার জন্যই আমরা কিছু না কিছু রেখেছি: জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    পুণ্ড্রনগর বগুড়ার হারানো সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন

    লালমনিরহাটে মাদরাসা শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    আবারো শুরু হলো প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা, খুশি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ।

    লালমনিরহাটে শিক্ষা সহায়তা পেলে ৬ শিক্ষার্থী

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


    • মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
      ওয়াক্তসময়
      সুবহে সাদিকভোর ৫:১৪
      সূর্যোদয়ভোর ৬:৩২
      যোহরদুপুর ১২:৫৭
      আছরবিকাল ৪:২৪
      মাগরিবসন্ধ্যা ৭:২২
      এশা রাত ৮:৪১
  • সম্পাদক ও প্রকাশক : কামরুল হাসান বাবলু
    ই-মেইলঃ dk.kamrul@gmail.com
    copyright @ নিউজ এখন ( www.newsekhon.com )
    নিউজ এখন মাল্টি মিডিয়া (প্রা:) লিমিটেড প্রতিষ্ঠান।