আজ সোমবার | ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ২রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |১৩ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ৮:৩১

অদ্য ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার বাদ আসর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ, জাতির গর্বিত কৃতী সন্তান এবং সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান মরহুম এয়ার ভাইস মার্শাল আব্দুল করিম খন্দকার, বীর উত্তম, পিএসএ (অবঃ) এর রুহের মাগফেরাত কামনায় ঢাকাস্থ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বাশার এর ফ্যালকন হলে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে সম্মানিত সেনা ও বিমান বাহিনী প্রধানগণ, সাবেক বিমান বাহিনী প্রধানগণ, মরহুম এর পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং অন্যান্য পদবীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, শান্তি এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করা হয়।
মরহুম এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার, বীর উত্তম শুধু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধাই ছিলেন না, ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতাও যিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অটুট নিষ্ঠা, কৌশলগত বুদ্ধি এবং অদম্য চেতনা জাতির জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি কঠোর মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে বিজয়ের দিকে পরিচালিত প্রচেষ্টাগুলোর সমন্বয়সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন এবং তাঁর যোগ্যতম পরিচালনায় যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিমান বাহিনী পুনর্গঠনে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশাত্মবোধ ও সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।
এছাড়াও, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকার, বীর উত্তম কে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় তাঁর অনন্য সাধারণ ভূমিকা, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে সুসংগঠিত করা এবং দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১১’ এ ভূষিত করে।
সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
| সুবহে সাদিক | ভোর ৬:০৫ পূর্বাহ্ণ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৭:২০ পূর্বাহ্ণ |
| যোহর | দুপুর ১:১১ অপরাহ্ণ |
| আছর | বিকাল ৪:৩২ অপরাহ্ণ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:০২ অপরাহ্ণ |
| এশা | রাত ৮:১৭ অপরাহ্ণ |