আজ বুধবার | ২০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |১৭ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ৮:৪০

মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, যখন কেউ ছিলনা তখন নিজের এবং পরিবারের জীবন বিপন্ন করে মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে যিনি যুদ্ধে নেমে পড়েছিলেন তিনি জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বার বার সংকটে ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন জিয়াউর রহমান। যখন তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তখন তিনি ছিলেন একজন মেজর, স্বাধীনতার ঘোষণা মেজর জিয়ার দেওয়ার কথা ছিল না, ওই সময় পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক নেতৃত্বে যারা আসীন ছিলেন তাদের শীর্ষ নেতৃত্বের ঘোষণাটি দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যর্থ হয়েছেন এবং ব্যর্থ হয়েছেন তাদের স্তরে স্তরে থাকা বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ১৯৭১ এর আগুন ঝরা মার্চের আন্দোলনে সাড়া জাতি যখন দিশেহারা যখন সারা জাতি দিক-নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করছিল তখন কাউকে পাওয়া যায়নি। শীর্ষ নেতৃত্ব পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করে গ্রেফতার বরণ করেছেন, কিছু দেশের ভেতরে আত্মগোপনে চলে গেলেন। সেই সময় সাহস করে একজন বীর, একজন দেশপ্রেমিক নিজের জীবনকে বাজি রেখে, পরিবারের জীবনকে বাজি রেখে, মহান স্বাধীনতার ঘোষণাটি দিয়েছিলেন তিনি জিয়াউর রহমান। ঘোষণা দিয়ে তিনি পাশের দেশে চলে যাননি, তিনি চলে গিয়েছিলেন যুদ্ধের ময়দানে।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে তিনি বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার একটি চা বাগানের ম্যানেজার এর বাংলোতে ঠাঁই নিয়েছিলেন, সেখানে ১৩ জন তদানিন্তন আর্মির অফিসারের যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, সে বৈঠকে এম এ জি ওসমানীকে সর্বাধিনায়ক করা হয়। সে বৈঠকে জিয়াউর রহমান প্রস্তাব রেখেছিলেন যে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যে যুদ্ধ হবে তার নাম হবে মুক্তিযুদ্ধ। তখন সেই বৈঠকে জিয়াউর রহমানের প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে তিনি তাঁর পরিবারকে পাশে পাননি, পরিবারের সদস্যদের জীবন বিপন্ন জেনেও যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেছিলেন বুক চিতিয়ে। কামালপুরের যুদ্ধ সম্পর্কে তৎকালীন প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ বলেছিলেন কামালপুরের যুদ্ধকে লেলিন ক্লাবের সাথে তুলনা করা যায়। তিনি বলেন,শেখ মুজিবুর রহমানের সময় গুম,খুন চালু করেছিলেন সিরাজ খান,তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ১৭বছর শেখ হাসিনা গুম,খুন চালিয়েছে।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে আযম খান বলেন, মেজর জিয়া এবং দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার উত্তরসূরী তারেক রহমানের সরকার দেশের শাসক হবে না, হবে জনগণের সেবক।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম)-এঁর ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলা বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শনিবার (৩০ মে) সকাল দশটায় সখিপুর উপজেলা হল রুমে আয়োজিত সভায় উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজিম উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি খোরশেদ আলম মাস্টার, সাবেক সভাপতি আমজাদ হোসেন মাস্টার, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুর রেজা প্রমূখ।
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৪:৪৫ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:১১ |
| যোহর | দুপুর ১২:৫৭ |
| আছর | বিকাল ৪:১৬ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:৪২ |
| এশা | রাত ৯:০৯ |