আজ শনিবার | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি | সন্ধ্যা ৬:৩১

সখিপুর(টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার দক্ষিনের শেষ সীমানা মির্জাপুর উপজেলার বংশিনগরে চায়না হত্যাকান্ডের চার বছর। খুনিদের চাপে বাড়ি ছাড়া মামলার বাদী রওশনারা। ন্যায় বিচার ও নিরাপত্তা চেয়ে প্রধান উপদেষ্টা,স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা,পুলিশের আইজিপি,সিআইডি ডিআইজি, চীফ সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন বিচার না পাওয়া অসহায় বাদী রওশনারা। বিচার না পাওয়া ও কন্যার শোকে মারা গেছেন ৮৭ বছরের বৃদ্ধা বিধবা সাবজান বেগম। খুনিচক্র ও প্রভাবশালীদের চাপে মৃত সাবজান বেগমের চার কন্যা মিনা,বেদানা,আন্না ও রওশনারা রচনাসহ পুরো পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেছেন। বাদীর অভিযোগ চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলাটি সিআইডি(গোয়েন্দা বিভাগ)তদন্ত করলেও আসামীপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশে ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। মামলাটি একের পর এক হচ্ছে আইও বদল,বাদীর সাথে নেই কোন সমন্বয়।টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ১৩নং বাঁশতৈল ইউনিয়নের বংশিনগর(চান্দেরচালা) চাঞ্চল্যকর এ খুনের ঘটনাটি ঘটে বিগত ২০২২সালের ৫ এপ্রিল। খুন হওয়া চায়না ওই এলাকার মৃত ইয়াদ আলীর ছেলে। রবিবার(১৮জানুয়ারী) খুনের শিকার চায়নার বোন রওশনারা আক্তার রচনা বলেন,আসামীরা গ্রেফতার না হওয়ায় খুনিদের চাপে গত চার বছর যাবৎ তিনি বাড়ি ছাড়া। তার ও পরিবারের কোনো নিরাপত্তা নেই। বোনের শোকে তার বৃদ্ধ মা মারা গেছে। বংশিনগর গ্রামের ইসমাইল হোসেনের ছেলে তাহেজ উদ্দিন(৪০) বিয়ের প্রলোভনে দীর্ঘদিন বড় বোন চায়নার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। ঘটনা জানাজানি হলে চায়না আক্তার বিয়ের জন্য তাহেজ উদ্দিনকে চাপ দেয়। বিগত ২০২২ সালে ০৫ এপ্রিল কৌশলে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে চায়নাকে তাদের বাড়ি নিয়ে তাহেজ উদ্দিন,তার স্ত্রী হনুফা বেগম,ইন্নছ আলী,তার স্ত্রী তারা ভানু,হিকমত তার স্ত্রী লিপি,রবিউল তার স্ত্রী লিলি,চান্দে তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম ও তাদের সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে চায়নার লাশ পাশর্^বর্তী শাল-গজারির বনে ফেলে রাখে বলে বাদীর অভিযোগ। পুলিশ শাল-গজারির বন থেকে ক্ষত বিক্ষত অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে প্রেরণ করে।চায়নাকে অমানুষিক নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে চায়না হত্যার সঙ্গে জড়িত মূল পরিকল্পনাকারী তাহেজ উদ্দিন ও তার পরিবারের সদস্যদের পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। চায়নাকে হত্যার ঘটনা ফাঁস ও গ্রেফতার থেকে বাঁচতে মূল ঘাতক তাহেজ উদ্দিন বিষপানে আতœহত্যা করে। হত্যার সঙ্গে জড়িত তাহেজের স্ত্রী হনুফা বেগম, তার ভাই ইন্নছ আলী তার স্ত্রী তারা ভানু,বোন লিলি ও তার স্বামী রবিউলসহ সন্দেহজনক একাধিক খুনিকে পুলিশ আজও গ্রেফতার করছে না বলে অভিযোগ করেছে চায়নার অসহায় পরিবার। মূল ঘটনা ধামাচাপা দিতে হত্যাকারীরা অসহায় পরিবারকে নানাভাবে চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে। প্রভাবশালীমহলের যোগসাজশ ও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অসহায় পরিবার। বাদীকে না জানিয়েই মামলাটি থানা থেকে সিআইডিতে স্থানান্তর করার পর শুধু আইও বদলের মাধ্যমে চার বছর অতিবাহিত হয়েছে মামলাটির কোন সুরাহা হয়নি।
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:১৭ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৩৫ |
| যোহর | দুপুর ১২:৫৮ |
| আছর | বিকাল ৪:২৫ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:২১ |
| এশা | রাত ৮:৩৯ |