আজ রবিবার | ২২শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ | ৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ |১৭ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি | রাত ১০:১২

সখিপুর (টাঙ্গাইল)প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখিপুর বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদার,গত আওয়ামী লীগ সরকারের এমপি এড.জোয়াহেরুল ইসলাম ভিপি জোয়াহের ডিও লেটার নিয়ে দুর্নীতিবাজ ঠিকাদার অন্তর আহমেদের মাধ্যমে সরিষাবাড়ী হতে সখিপুর আসেন। এর মধ্যে অন্তর আহমেদের সাথে আবু বকর তালুকদারের ছিল বেশ অন্তরঙ্গ সম্পর্ক।
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন প্রভাবশালী মন্ত্রীর সাথে অন্তরঙ্গ ছবিকে পুঁজি করে অন্তর আহমেদ তাকে সখিপুরে নিয়ে আসে এবং ঠিকাদারী কাজ করাবে বলে, অঙ্গীকার করেই, সখিপুর আসছিলেন আবু বকর তালুকদার। অন্তর আহমেদকে কিছু কাজ দিয়ে থাকলেও, সখিপুরে আরো ঠিকাদার রয়েছে, পলাশ ও শাহ আলম তাদেরকে কোন কাজ দেননি, আবুবকর তালুকদার। টাঙ্গাইলের শাকিল নামক এক ঠিকাদারকে আবুবকর তালুকদার সখিপুর নিয়ে আসেন, গোপন সূত্রে জানতে পারি ঠিকাদার শাকিল এর সাথে, গোপন বৈঠক করে সখিপুরের বিদ্যুতের সকল কাজ শাকিলকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি অন্তর আহমেদ টের পেয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী আবুবকর তালুকদারের সাথে বিতর্কে জড়িয়ে যায় এবং বিদ্যুৎ অফিস থেকে কোন কাজ না পেয়ে বিতাড়িত হয়। বিগত ৫ ই আগস্ট ২০২৪ইং এরপর আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হলে আবু বকর তালুকদার, অন্তর আহমেদকে সরিয়ে দিয়ে সকল কাজ শাকিলকে দিয়ে শুরু করেন এবং শাকিলের মাধ্যমে অনিয়ম -দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তুলেন।সখিপুর প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে, সব কাজ নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদারের মাধ্যমে করতে হয়। প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলীর নাম নাম মাত্র রয়েছে, প্রকল্প হতে যেখানেই লাইন ও ট্রান্সফর্ম্যার স্থাপন করা হয়, সেখানেই টাকা নিয়ে শাকিল ও আবু বকর তালুকদার কাজ করে দেন, সরাসরি ওনারা লেনদেনের করেন না, সেই সব এলাকায়, লাইন ও ট্রন্সফর্ম্যার বসানো হয়, সেই এলাকার কিছু দালালদের মাধ্যমে টাকা নিয়ে থাকেন, টাকা নেওয়ার বিষয়টি, যেখানে লাইন করা হয়েছে, সেই এলাকার জনসাধারণের সাথে কথা বলে জানা গেছে। ২০২১-২২ অর্থ বছরে টাঙ্গাইলের এক ঠিকাদার ইপিয়ার, শাপলা এন্টারপ্রাইজের নামে একটি কাজ পান। কাজটি মূলধন খাতে, থাকলেও কাজটি পরিচালন ও মেরামত খাতে, করা প্রক্রিয়া করেন। অফিস সূত্রে জানা যায়, কাজটি মূলধন খাতে করা হলে ডিজাইন ও কারিগরি মতামত প্রয়োজন হয়। কাগজ পত্রের ঝামেলা থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কোন প্রকার ডিজাইনের মতামত ছাড়াই উক্ত কাজটি, পরিচালন মেরামত খাতে কার্যাদেশ পান। উক্ত কাজটি সখিপুর সরকারি কলেজ (মুজিব কলেজ) পূর্ব পাড় হতে, হাজী চৌরাস্তা হয়ে, চাঁদের হাট পর্যন্ত করবে বলে;চাঁদের হাটের মালিক আলিম মাহমুদের কাছ থেকে ৫ লক্ষ টাকা বিদ্যুৎ অফিসের দালাল জিন্নাহর হাত দিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদার নিয়েছে বলে জনশ্রুতি রয়েছে এবং হাজী চৌরাস্তা মোড়ে একটি ট্রান্সফর্মার বসাবে মর্মে, এলাকাবাসীর কাছ থেকে দালাল জিন্নাহ ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা নেন। সখিপুর সরকারি কলেজ (মুজিব কলেজ) পার হতে হাজী চৌরাস্তা হয়ে চাঁদের হাট পর্যন্ত ১২ মিটার পোল স্থাপন করেন।পোল স্থাপনের ৪ চার বছর পার হয়ে গেলেও সেই পোলে তার ফিটিংস পড়ানো হয়নি। গোপন সূত্রে জানা যায়, উক্ত কাজের পোল ব্যতীত ২ টি ট্রান্সফরমার সহ সকল মালামাল ইপিয়ার ও জিন্নাহ একত্র বিক্রি করে দিয়েছে। যার ফলে ওই এলাকায় তার বিহীন পোল এখনো দাঁড়িয়ে আছে। এতে সরকারের কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে । সখিপুর সরকারি কলেজ (মুজিব কলেজ) পূর্বপাশ হতে হাজি চৌরাস্তা হয়ে চাঁদেরহাট পর্যন্ত ১১ কেভি লাইন করবে বলে চাঁদেরহাট পর্যন্ত ১২ মিটার পোল স্থাপন করা থাকা সত্ত্বেওনআবুবকর তালুকদার ও শাকিল মিলে বিদ্যুৎ মিস্ত্রি শরীফের মাধ্যমে হাজি চৌরাস্তা পর্যন্ত সেন্ট্রাল জুন প্রজেক্ট টাঙ্গাইল হতে একই স্থানে পূর্বের পোল স্থাপন করার থাকলেও সেখানে আবার নতুন ১২ মিটার পোল স্থাপন করে হাজি চৌরাস্তায় বিদ্যুতের লাইন করা হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদারের আওতাধীন যতগুলো ট্রান্সফরমার রয়েছে সেসব ট্রান্সফর্মার নষ্ট হয়ে গেলে টাকা ছাড়া কোন একটি ট্রান্সফর্ম্যারও মেরামত করে দেওয়া হয় না।সখিপুরের প্রতিটি ট্রান্সফর্মার মালিক, পল্টনের মালিক ও সাধারণ জনগণকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায় যে,টাকা ছাড়া নষ্ট ট্রান্সফর্মার মেরামত করে দেওয়া হয় না। যদি কোন এলাকায় ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়ে যায়, সেই ট্রান্সফর্মার স্থাপনকৃত এলাকা হতে, টাকা না দেওয়া হলে সাধারণ গ্রাহক ও পল্টনের মালিককে হয়রানির শিকার হতে হয়। বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রেখে দেওয়া হয়। ট্রান্সফরমারের কথা বললে আবু বকর তালুকদারসহ সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী, বলে থাকেন আমাদের কাছে, আপাতত মেরামতকৃত কোন ট্রান্সফরমার নেই,আবার টাকা দিলে সাথে সাথেই পাওয়া যায়। এ বিষয়ে সখিপুর বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর তালুকদার সব সময় বলে থাকেন, আমার সঙ্গে বোর্ডের চেয়ারম্যান, মেম্বার, চিপ ইঞ্জিনিয়ার, আমাদের ময়মনসিংহ সেন্ট্রাল জুন প্রজেক্ট এর পিডি স্যার মোস্তাফিজুর রহমান, এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপি’র নেতা সহ সাংবাদিক রয়েছে। যার ফলে আমাকে ভয় দেখিয়ে, কোন লাভ নেই, আমি আমার মত করেই অফিস পরিচালনা করব।
রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:৩১ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৪৭ |
| যোহর | দুপুর ১:০১ |
| আছর | বিকাল ৪:২৯ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৭:১৬ |
| এশা | রাত ৮:৩২ |