
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৩৯৭.৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ০৮ টি মোবাইল ফোন ও ০৩ টি ল্যাপটপ’সহ ০১) রাবিয়া বেগম (৪৮), ০২) আকাশ আহমেদ (৩৫), ০৩) মোঃ জলিল (৪৬) নামের মোট ০৩ জন ব্যক্তিকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন।
অদ্য ২৪/০৯/২০২৬ খ্রি. তারিখে আনুমানিক ০২.৫০ ঘটিকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুতল কার-পার্কিং এর নিচ তলায় উপরোল্লিখিত ব্যক্তিগণ সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করেন এবং পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সুকৌশলে পালানোর চেষ্টা করলে এয়ারপোর্ট এপিবিএন ফোর্স তাদেরকে আটক করে।
আটককৃত ব্যক্তিদের দেহ তল্লাশি করলে তাদের হেফাজত হতে সর্বমোট ৩৯৭.৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার, ০৮ টি মোবাইল ফোন ও ০৩ টি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়। প্রতিটি স্বর্ণালংকার এর মান ২২ ক্যারেট।
ধৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উদ্ধারকৃত স্বর্ণালংকার, মোবাইল ও ল্যাপটপ সমূহ বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছে চোরাচালানের উদ্দেশ্যে। আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন যাবৎ বিমানবন্দরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।
ধৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় অদ্য ২৪/০৯/২০২৬ খ্রি. একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। ধৃত ব্যক্তিরা অজ্ঞাতনামা যাত্রীদের সহযোগিতায় পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ পন্থায় চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সরকারকে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ নিয়ে এসে নিজ হেফাজতে রেখে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ সালের ২৫বি এর (১)(বি)/২৫-ডি ধারায় অপরাধ করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের পুলিশ সুপার (অপারেশন্স) মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খাঁন বলেন, “বিমানবন্দর এলাকায় যেকোন অপরাধ দমন ও চোরাচালান প্রতিরোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। মাদক ও স্বর্ণ চোরাচালানের অপতৎপরতা রোধে এয়ারপোর্ট এপিবিএন পেশাদারিত্বের দায়িত্ব পালনে বদ্ধপরিকর। বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো চোরাচালান রোধে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।”প্রেস রিলিজ
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ | |
| ওয়াক্ত | সময় |
|---|---|
| সুবহে সাদিক | ভোর ৫:৪২ |
| সূর্যোদয় | ভোর ৬:৫৮ |
| যোহর | দুপুর ১২:৪৩ |
| আছর | বিকাল ৪:০১ |
| মাগরিব | সন্ধ্যা ৬:২৮ |
| এশা | রাত ৭:৪৪ |